Saturday, December 29, 2012

‘টাস্ক ম্যানেজার’ ছাড়া ডস কমান্ড দিয়ে ফাইল বন্ধ করুন


আমাদের প্রায়ই কম্পিউটারের ভাইরাসের মুখোমুখি হতে হয়। অনেক সময় দেখা যায় ভাইরাসের  কারণে ‘টাস্ক ম্যানেজার’ ডিজেবল হয়ে যায়।আজ আপনাদের কিছু ডস কমান্ড দিবো যা দিয়ে আপনি ‘টাস্ক ম্যানেজার’ ছাড়া যে কোন running file বন্ধ করতে পারবেন।
নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন:-
প্রথমে  cmd.exe চালু করুন।
tasklist লিখে Enter চাপুন।
আপনার কম্পিউটারে যে সব ফাইল চালু আছে।
এখন আমরা cmd  ফাইল টি বন্ধ করবে।
tskill cmd লিখে Enter চাপুন।
cmd ফাইল টি বন্ধ হয়ে যাবে।
আপনাদের সবার কাছে টিউনটি কেমন লেগেছে তা আমাকে কমেন্টস করে জনাবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে।

Continue Reading »

Gmail এ সেন্ড করা মেইল ফিরিয়ে আনতে চাইলে দেখুন !!!


শিরোনামটা পড়েই বুঝা যাচ্ছে এই Tips টি Send করা Mail কে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। ব্যাপারটা সত্যি! কিন্তু মাত্র ৩০ সেকেন্ডের  জন্য। অর্থাৎ আপনি একটা সেন্ড করা মেইল কে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে বাতিল করে দিতে পারেন।
ইতোমধ্যে আপনারা ২/১ জন ভেবে বসেছেন মেইল করলে ফেরত আনার দরকার কি? চিন্তা করে দেখুন আপনি হয়ত বা ভুল ঠিকানায় মেইল send করে দিলেন। অথবা সবটা টাইপ না করেই সেন্ড করে ফেললেন। অথবা ভুল কোন লেখা সেন্ড হয়ে গেল। তখন কি করবেন? হা করে বসে থাকা ছাড়া তো উপায় নেই। এটা আপনার বিরাট ক্ষতির কারণ হয়ে যেতে পারে।
তাই এই চমৎকার option টি জিমেইল আপনার সুবিধার জন্য রেখেছে। কিন্তু তারা এই Feature টা এখনো ডিফল্ট করে দেয়নি। আপনাকে এই option টি নিজে নিজে চালু করে নিতে হবে।
এবারে কাজে নেমে পরুন।
প্রথমেই আপনার Gmail একাউন্ট এ Sign in করুন। (কাজটি করার জন্য আপনাকে অবশ্যই Standard View এ থাকতে হবে। Basic html হলে option টি খুজে পাবেন না।)এবার ডান দিকে দেখুন settings button আছে  সাথে একটা Down Arrow। Down Arrow তে Click করে Settings নির্বাচন করুন। এবারে আপনি বেশ কয়েকটি Tab দেখতে পাবেন। এখান থেকে Labs ট্যাব এ Click করুন। এবার Scroll করে নিচে নামুন এবং Undo send অপশনটি খুজে বের করুন। এখানে Enable এবং Disable অপশন দেখতে পাবেন। আপনি এটাকে Enable করে নিন। তারপর Save করে বেরিয়ে আসুন।
এক কথায় – Gmail in Standard View > Settings > Labs > Undo Send > Enable > Save.
এখন থেকে আপনি যখন Mail টাইপ করে Send button এ ক্লিক করবেন তখন দেখবেন Your message has been send এর সাথে আরেকটি অপশন আছে মেইল Undo বা Cancel করার জন্য।

Continue Reading »

Thursday, December 27, 2012

সার্চ রেজাল্ট এ আপনার সাইটকে আকর্ষণীয় করে তুলুন

t1larg.google.traffic.cnn

আপনি কি সার্চ ইঞ্জিন থেকে আর ও বেশি ভিসিট পেতে চান?
তাহলে এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন।
যখন আপনি গুগল এ কিছু সার্চ করেন গুগল হাজার হাজার রেজাল্ট আনে। তার মধ্যে কিছু সংখ্যক প্রথম পাতায় দেখায়। বেশির ভাগ ইউজারই প্রথম পাতার রেজাল্ট গুলোতে ক্লিক করে।   অন্য পাতার রেজাল্ট গুলো তুলনামূলক কম ভিসিট পায়।
তাই আমরা সব সময় চেষ্টা করি আমাদের সাইটকে প্রথম পাতায় আনতে। প্রথম পাতায় আপনার সাইট আসা মানেই এই নয় যে আপনি অনেক ভিসিট পাবেন। আপনি যদি ভাল পরিমানের ভিসিট না পান তবে প্রথম পাতায় এসে লাভ কি?
সার্চ রেজাল্ট এ আপনার সাইট যদি দেখতে অন্য রেজাল্ট গুলো থেকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় হয় তবে আপনার ভিসিত পাওয়ার সুযোগ বেরে জায়। উদাহরনস্বরূপ নিছের ছবিটি দেখতে পারেন। এখানে আমরা সার্চ করেছি  "How to Choose a Good Domain Name for Your Blog" - এই কিওয়ার্ড এর জন্য।
এখানে প্রথম রেজাল্ট এ ক্লিক পরার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিন্তু ইউজার যখন ক্লিক করতে যাবে তখন নিচে যে রেজাল্ট এর সাথে Author এর ছবি রয়েছে সেটি ইউজার এর নজর কাড়বে। তাছাড়া Breadcrumbs থাকাতে এটিকে আরও সুন্দর এবং আকর্ষণীয় লাগছে। এই স্বকীয়তার কারণে অই রেজাল্ট এ ক্লিক পরার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

সার্চ রেজাল্ট এ আপনার সাইটকে আকর্ষণীয় করে তুলতে কয়েকটি টিপস

১। Google Authorship
আপনার সাইট এ আপনি যখন Google Authorship ভেরিফাই করবেন, সার্চ রেজাল্ট এ আপনার সাইট এর পাশে আপনার গুগল প্রোফাইল এর ছবিটি দেখাবে। এতে আপনার রেজাল্টটি দেখতে সুন্দর লাগে এবং ক্লিক পরার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
২। Breadcrumbs
Breadcrumbs হচ্ছে ক্যাটাগরি নেভিগেশন। সার্চ রেজাল্ট এ সম্পূর্ণ ইউআরএল এর পরিবর্তে Breadcrumbs দেখালে রেজাল্টটি দেখতে সুন্দর লাগে। তাছাড়া এটি ইউজার কে আপনার ক্যাটাগরি এবং সাইট সম্পর্কে একটি ভালো আইডিয়া দেয়।
৩। সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি টাইটেল
এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার সাইট কিংবা পোস্ট এর টাইটেল যদি ইউজাররা দেখা মাত্র বুঝতে না পারে তবে তারা তা কখন ও ভিসিট করবে নাহ। তাই টাইটেল অবশ্যই আকর্ষণীয় হতে হবে। আকর্ষণীয় টাইটেল এর জন্য কিছু টিপস
  • সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করুন
  • পোস্ট টাইটেল ৬৫ বর্ণের মধ্যে রাখুন
  • টাইটেল এ সংখ্যা ব্যাবহার করুন (উদাহরন- 5 Awesome tips to…)
  • প্রয়োজন হলে "How to" শব্দ ব্যাবহার করুন
৪। স্টার রেটিং
আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মারকেটার হন তবে আপনার উচিত অবশ্যই Google Rich snippet star rating ব্যাবহার করা। এতে আপনার রিভিউ সার্চ রেজাল্ট এ আকর্ষণীয় দেখায় এবং আপনার ভিসিট পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

স্টার রেটিং ব্যাবহার এর জন্য আপনি Author hReview প্লাগিন ব্যাবহার করতে পারেন। ( ওয়ার্ডপ্রেস ব্যাবহারকারীরা)
৫। গুগল সাইটলিঙ্কস
সাইটলিঙ্কস হচ্ছে ঐ লিঙ্ক গুলো যেগুলো প্রথম রেজাল্ট এর নিচে দেখা যায়। ডোমেইন নেইম এবং সার্চ টপিক কাছাকাছি হলে সাইটলিঙ্কস দেখা যায় রেজাল্ট এর সাথে।
গুগল অনুসারে, সাইটলিঙ্কসগুলো হয় অটোম্যাটেড। এবং তখনই দেখা যাবে যদি গুগল মনে করে যে সেগুলো ইউজারদের জন্য প্রয়োজনীয়।
আপনার করণীয়
আপনার সাইট সার্চ রেজাল্ট এ কেমন দেখায় টা জানতে Rich Snippet Tool এ যান। আপনার সাইট এর যেকোনো পেজ এর লিঙ্ক নিয়ে সেখানে চেক করুন। নিশ্চিত করুন উপরের বিষয়গুলো আপনার সাইট এর জন্য সার্চ রেজাল্ট এ আসে কিনা। ধন্যবাদ।

Continue Reading »

কোন সফটওয়্যার ছাড়াই কম্পিউটারের সাটডাউনের সময় নির্ধারণ করুন

300_122679

মনেকরুন আপনি আপনার কম্পিউটারটিকে নিদ্রিষ্ট সময়ে সাটডাউন করতে চান কিন্তু আপনার কাছে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার নেই! তবে এই কাজটি কোন সফটওয়্যার ছাড়াই করতে পারেন!!! ধরুন আপনি আপনার কম্পিউটারকে ৫ মিনিট পর সাটডাউন করতে চান, তাহলে ৫ মিনিটরে সময় হল ৩০০ সেকেণ্ড। এক্ষেত্রে প্রথমে Start Menu থেকে Run এ ক্লিক করুন। তারপর টাইপ করুন Shutdown.exe-s-t-300 এবং Ok করুন। আপনি যদি ৫ মিনিটের পরিবরতে অন্য কোন সময় কম্পিউটার বন্ধ করতে চান তাহলে সেই সময়কে সেকেণ্ডে প্রকাশ করুন এবং ৩০০ জায়গায় তা টাইপ করুন। আপনার কম্পিউটার নিদ্রিষ্ট সময়ে সাটডাউন হবে। আর যদি আপনি এই টাইমার বন্ধ করতে চান তাহলে Start Menu থেকে Run এ গিয়ে Click করুন তারপর Shutdown.exe-a।

Continue Reading »

Monday, December 24, 2012

“মায়া” সভ্যতার ইতিহাস ( History of the Maya Civilisation)

পূর্বকথা- মায়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গত ২১ শে ডিসেম্বর ২০১২ পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা ছিল ,কিন্তু হয় নি। মনে মায়াদের নিয়ে প্রশ্ন জাগল। স্বাংবাদিককের রিপোর্টে নাকি ৫টি W এর উত্তর থাকতে হয় Who(কারা ),কখন(When), কি(What), কোথায়(Where)এবং কেন(Why) ।আমি সাংবাদিক নই, কিন্তু কারা ছিল মায়ারা, কোন দেশে তাদের বাস, মায়াদের সময়কাল, মায়া সভ্যতার স্বরুপ কি ছিল এবং কেনই বা তারা হারিয়ে গেল তা জানার এবং জানানোর ইচ্ছে থেকেই শুরু করলাম মায়াদের নিয়ে লিখতে । 

সূচনাঃ- 
মানুষের ইতিহাস কি বা কবে থেকে শুরু হয়েছিল তা নিয়ে পন্ডিতদের মধ্যে বিতর্কের শেষ নেই, কেউ ১০ কেউ বলেন ২০ হাজার বছর, কেউবা বলেন আরো পুরোনো। নতুন আবিস্কার পালটে দেয় পুরোনো ধারনাকে। অনেকের মতে আদিম মানুষ যখন লিখতে শিখেছিল ,যখন থেকে তারা পাথরে ,গাছের পাতায় সেই সময়ের মানুষের জীবন যাত্রা প্রনালী, তাদের চিন্তা ভাবনা, লিখে রেখে গেছে তখন থেকেই মানুষের ইতিহাসের শুরু আর তার আগের সময় হল প্রাগৈতিহাসিক কাল।

আদিমতম সময়ে মানুষ ছিল যাযাবর। খেয়ে পরে বাচতে তারা ঘুরে বেড়াত এক স্থান থেকে আরেক স্থানে। জন্তু জানোয়ারদের মত কোন স্থানের খাবার ফুরিয়ে গেলে তারা রওয়ানা দিত অন্য দিকে।তখন মানুষ চাষাবাস শেখেনি, ফসল ফলাতে শেখেনি , পশুপালন শেখেনি। আগুনের ব্যবহার বা রাধতে শেখেনি তাই খাবার দাবার কাঁচাই খেত, ঘর বাড়ী ছিল না ,তাই বাস করত পাহাড়ের গুহায়, গাছের ডালে। ভাষার ব্যবহার শেখেনি তাই যোগাযোগ ছিল অসংগঠিত শব্দের মাধ্যমে বা দেহভঙ্গঈর মাধ্যমে(Non verbal Communication)।জন্তু জানোয়ারদের হাত থেকে বাচতে, শিকার করতে, ঘরবাড়ী বানাতে দরকার পড়ল অস্ত্রের আর প্রথম অস্ত্র হিসেবে হাতে তুলে নিয়েছিল পাথর। সেই শুরু হল প্রস্তর যুগ বা Paleolithic age । পুরোনো প্রস্তর যুগের পর এল নতুন প্রস্তর যুগ, এর পর এল ধাতুর যুগ তাম্রযুগ ব্রোঞ্জ যুগ ইত্যাদি। একে একে সব কিছুই আয়ত্ব করল মানুষ। যাযাবর বৃত্তি ছেড়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করল , চাষাবাদ শিখল, আগুনের ব্যবহার শিখল, ধাতু গলিয়ে তৈরী করল অস্ত্র, গড়ে তুলল শহর ,গড়ে উঠল সভ্যতা। ডারউইনের মতে ভাষার উৎপত্তি এবং আগুনের ব্যাবহার এই দুটো জিনিস ছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসের মাইল ফলক। ভাষা উৎপত্তির ফলে আদিম সে যুগের অনেক কিছুই সে সময়ের মানুষেরা লিখে রেখে গেছেন। ভাষা লেখার গোড়ার দিকে যখন কোন অক্ষর ছিল না তারা মনের ভাব লিপিবদ্ধ করত ছবি দিয়ে। ছবি দিয়ে লেখার এই পদ্ধতি যেমনটি পাওয়া যায় ব্যাবিলনের “হাম্মুরাব্বি’র নিয়মাবলী” বা পিরামিডের দেওয়ালে তা হল চিত্রলিপি বা Heiroglyphics । পৃথিবীর বিভিন্ন যায়গায় গড়ে উঠেছিল প্রাচীন যুগের সে সভ্যতা। এই সমস্ত সভ্যতাই গড়ে উঠেছিল কিন্তু নদীকে ঘিরে কারন হল খাওয়ার জন্য, গৃহস্থালী কাজের জন্য, কৃষিকাজের জন্য নৌ পরিবহনের জন্য নদী ছিল বিশেষ উপযোগী। খৃস্ট পূর্ব সময়ে পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য আদিম সভ্যতাগুলো ছিল , মিশরীয় সভ্যতা, গ্রীক সভ্যতা, ব্যাবিলনিয়ান সভ্যতা, সিন্ধু সভ্যতা, ইনকা সভ্যতা, চৈনিক সভ্যতা, মায়া সভ্যতা প্রভৃতি।


মায়া সভ্যতা। 
মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো , গুয়াতেমালা,হন্দুরাস, বেলিজ, এবং এল সালভাদর, এই ৫ দেশে প্রায় তিন সহস্রাব্দী্রও বেশী সময় জুড়ে গড়ে উঠেছিল মায়া সভ্যতা। এই এলাকায় শিকারী যাযাবর মানুষদের বসবাসের সাক্ষ্য পাওয়া যায় ১১,০০০ বছর আগে থেকে। মায়া সভ্যতার প্রাচীনতম নিদর্শন মেলে ২৬০০ খৃস্টপুর্বাব্দে মেক্সিকোর ইয়াকাটুন উপদ্বীপে। প্রায় একই সময়ে বেলিজের কুয়েলোতে (Cuello, Belize ) মায়া বসতি গড়ে উঠেছিল । তৃতীয় খৃস্টাব্দ এ প্রায় নিরবিচ্ছিন্ন ৩ লক্ষ ১১হাজার বর্গ কিলোমিটার আয়তন ছিল মায়া এলাকার । পুরোনো ওলমেক এবং এজটেক সভ্যতার উপর গড়ে উঠেছিল মায়া সভ্যতা। জ্যোতির্বিদ্যা, স্থাপত্যশিল্প,অঙ্ক শাস্ত্র, চিত্রলিপির ব্যবহার, ক্যালেন্ডার বা দিনপঞ্জীর ব্যাবহার প্রভৃতিতে মায়ারা বিশেষ অবদান রেখেছিল। জঙ্গল পরিস্কার করে চাষাবাস, রাস্তাঘাট তৈরী, জলাধার নির্মান, বুনন , মৃত্তিকা শিল্প প্রভৃতিতেও মায়ারা ছিল সমান দক্ষ। 

মায়াদের এলাকা- কে মোটামুটি তিন ভাগে ভাগ করা যায়। ১)উত্তর পশ্চিম হন্দুরাস, গুয়াতেমালার পেতেন অঞ্চল , বেলিজ এবং চিয়াপাস অঞ্চলের গ্রীস্ম মন্ডলীয় বনভুমি ছিল মায়া সভ্যতার প্রান কেন্দ্র।


তিকালের জায়ান্ট জাগুয়ার মন্দির।



দক্ষিনের এই অঞ্চলে ছিল উর্বরভুমি এবং অসংখ্য নদীনালা। এই এলাকায় মায়াদের প্রধান শহর গুলো ছিল কোপান, ইয়াক্সচিলান,তিকাল এবং পালেঙ্কি( Copán, Yaxchilán, Tikal, and Palenque ) গুয়াতেমালার পাহাড়পর্বতসংকুল উচ্চভুমি এবং প্রশান্ত মহাসাগর সংলগ্ন অঞ্চল ,এই এলাকার মায়াদের উপর প্রাচীন এজটেক সভ্যতার প্রভাব লক্ষ্য করা যায়, 


কারাকোলের কানান প্রসাদ ছিল ১৪০ ফুট উচুঁ


৩) দক্ষিনের মায়া সভ্যতার ভাঙ্গন শুরু হলে মায়ারা উত্তরের মেক্সিকোর ইয়াকাতান প্রদেশের সমতলভুমির এই অঞ্চলে বসতি স্থাপন শুরু করে । এই অঞ্চলের প্রধান নগরীগুলো ছিল লাবনা, চিচেন ইজা এবং উক্সমল( Labná, Chichen Itzá and Uxmal )




লাবনা'র গেট।


টলটেকরা (Toltec) এই অঞ্চল দখল করে নেওয়ার পর মায়াসভ্যতার সমাপ্তি ঘটে। 


 

পালেঙ্কীর প্রাসাদ।


মায়া সভ্যতার সময়কালঃ- অনান্য সভ্যতার মত মায়াদের ইতিহাসেও ছিল উত্থান, পতন। মায়া সভ্যতার কালকে মোটামুটি তিন ভাগে ভাগ করা যায়। খৃস্টপূর্ব ১৮০০ শতাব্দী থেকেপ্রশান্ত মহাসাগর সংলগ্ন অঞ্চলে গোড়াপত্তন হয় মায়া সভ্যতার। এই সময়ে মায়াদের তৈরী মাটির তৈরী পাত্র এবং পোড়ামাটির সামগ্রীর সন্ধান পাওয়া যায়। ২৫০ খৃস্ট পূর্বাব্দের মায়া ভাষার প্রথম চিত্রলিপি বা Heiroglyphics এর সন্ধান পাওয়া যায় এই এলাকায়। প্রিক্লাসিক পিরিয়ড টিকে থাকে ১০০ খৃস্টাব্দ পর্যন্ত। ৩য় খৃস্টাব্দ থেকে শুরু করে ১০ম শতাব্দী পর্যন্ত মায়াসভ্যতার কালকে বলা হয়ে থাকে ক্লাসিক পিরিয়ড এই সময়কে বলা হয়ে থাকে মায়া সভ্যতার স্বর্নযুগ। এর পরের সময় হল পোস্ট ক্লাসিক পিরিয়ড।


মায়া রাস্ট্র ও সমাজ- ধারনা করা হয়ে থাকে মধ্য আমেরিকার মায়ারা উত্তর আমেরিকা থেকে ক্রমশঃ দক্ষিনে এসে বসতি স্থাপন করা শুরু করে। তৃতীয় শতাব্দীতে এসে মায়ারা বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্র শাসন ব্যাবস্থা গড়ে তোলে।


মায়াদের ধর্ম- মায়ারা বিশ্বাস করত যুগে যুগে সৃস্টি এবং ধ্বংশের। মায়াদের এক যুগ হল ৫,২০০ বছর নিয়ে। বর্তমান যুগ শুরু হয়েছিল ৩১১৪/৩১১৩ বছর আগে এবং ২০১১/১২ সালে তা শেষ হবে। মায়া সৃস্টিতত্ব অনুযায়ী পৃথিবী সমতল, চতুস্কোন এবং চার কোনাকে ধরে রেখেছেন ৪ জন দেবতা।সমতল পৃথিবী হল শাপলার দিঘীতে ভেসে থাকা বিশাল আকৃতির কুমীরের পিঠ। পৃথিবীর প্রত্যেক কোনার আবার রঙ আছে যেমন পূর্বকোনা লাল রঙের, পশ্চিমকোন কালো, উত্তর কোন সাদা, এবং দক্ষিন কোন হলুদ, আর কেন্দ্রের রঙ হল সবুজ। আকাশ হল পৃথিবীর প্রতিফলনএবং তা পৃথিবীর কুমিরের মতই দুই মাথা ওয়ালা সাপ এর অংশবিশেষ। আকাশে্রও বিভিন্ন স্তর ছিল , আকাশের চার কোনায় চারজন অমিত শক্তিশালী “বাকাব” দেবতা উচু করে ধরে রাখতেন আকাশকে। 
স্বর্গ ছিল ১৩ স্তরবিশিস্ট, আর প্রত্যেক স্তরেই থাকতেন একজন দেবতা। নরক ছিল ৯ স্তরের কইভাবে (চলবে) 

Continue Reading »

Saturday, December 22, 2012

টরেন্ট ডাউনলোড করার সহজ দুটি উপায় । IDM ও µTorrent

 

টরেন্ট সম্বন্ধে অনেকেই জানেন । তাই বেশ বিস্তারিত বলার কিছু নেই । তারপর ও নতুন দের উদ্দেশ্যে কিছু বলি... টরেন্ট হচ্ছে এমন একটি ডাউনলোড পদ্ধতি যার দ্বারা আপনি কারো পিসি থেকে কোন সার্ভার এর সাহায্য ছাড়া ডাইরেক্ট ডাউনলোড করতে পারবেন । এর জনপ্রিয়তার একটি কারন হচ্ছে, টরেন্ট এ এমন কোন সফটওয়্যার/ মুভি/ গান ইত্যাদি নেই যে পাওয়া যায় না । এছারা টরেন্ট দিয়ে আপনি একটি ফাইল বছর লাগিয়ে ও ডাউনলোড করতে পারবেন । কোন ফাইল মিসিং বা রিসিউম সাপোর্ট এর সমস্যা হবে না । টরেন্ট এ ১০০০% ফুল রিসিউম সাপোর্ট আছে

আমি শর্টকাট এ টরেন্ট ডাউনলোড করার পদ্ধতি দিয়ে দিচ্ছিঃ
পদ্ধতি ১
১. প্রথমে এখান থেকে µTorrent নামের সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন ।
২. এবার ThePirateBay.se এর কোন টরেন্ট লিংক এ ক্লিক করলে একটি পেজ আসবে । সেখানে নিচের স্থান টি তে ক্লিক করুন ।


৩. এবার আপনার ব্রাউজার টরেন্ট টি ওপেন করার জন্য পারমিশন চাবে । ওকে করুন ।

৪. এবার µTorrent ওপেন হলে আপনার ফাইল কোথায় সেভ করবেন দেখিয়ে দিয়ে ওকে করুন । একটু অপেক্ষা করুন ।





কিছু ফাইল ডাউনলোড হতে একটু সময় লাগে । ধৈর্য রাখবেন । এটি আপনি সারাদিন চালু রাখতে পারেন । কারন আপনি যখন অন্য স্থানে নেট ইউস করবেন তখন এটি ব্যান্ডউইথ ছেরে দিবে । আপনার নেট স্লো করবে না । যখন আপনি কোথাউ নেট ইউস করবেন না তখন এটি ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করে ডাউনলোড করবে ।
পদ্ধতি ২

এটি দিয়ে আপনি আইডিএম দিয়ে টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন । এটি আমি জরুরি ছোটখাটো ফাইল এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করি । এছারা এটি আমার তেমন পছন্দ না । তবে আপনি ব্যবহার করতে পারেন ।
১. প্রথমে zbigz.com এ জান ।
২. এবার ThePirateBay.se এর কোন টরেন্ট লিংক এ ক্লিক করলে যে পেজ আসবে সেখান থেকে নিচের স্থানে রাইট ক্লিক করে Copy link location এ ক্লিক করুন ।


৩. এবার zbigz.com এ গয়ে এবার নিচের স্থানে PASTE করুন ।


৪. GO তে ক্লিক করুন ।


৫. Free তে ক্লিক করুন ।


৬. আপনার টরেন্ট টি লোড হচ্ছে ।


৭. লোড শেষে নিচের মত দেখাবে, আপনি সব ফাইল জিপ করে ডাউনলোড করতে চাইলে নিচের মত জিপ বাটনে ক্লিক করুন । অথবা আপনি যদি একটি ফাইল ডাউনলোড করতে চান তবে ফাইল এর নামের পাশে ডাউনলোড বাটন টি তে ক্লিক করুন এবং Free তে ক্লিক করুন । ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে।


৮. জিপ করা শেষ হলে আপনার ডাউনলোড শুরু হবে ।





ZbigZ.com এর মত আরেকটি সাইট http://www.bitlet.org

Continue Reading »

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরের গোপন সংকেত বা মানে জানুন


আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরের গোপন সংকেত বা মানে জানুন
বাংলাদেশী হিসাবে আমাদের অনেকের ই জাতীয় পরিচয় পত্র আছে। অনেকে এটাকে ভোটার আইডি কার্ড হিসাবে বলেন যেটা সম্পুর্ণ ভুল। এটা ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র।
আপনারা দেখবেন এটার নীচে লাল কালি দিয়ে লেখা ১৩ সংখ্যার একটা নম্বর আছে যাকে আমরা আইডি নম্বর হিসাবে জানি

কিন্তু এই ১৩ সংখ্যার মানে কি?

1. প্রথম ২ সংখ্যা – জেলা কোড। ৬৪ জেলার আলাদা আলাদা কোড আছে। ঢাকার জন্য এই কোড ২৬।
2. পরবর্তী ১ সংখ্যা – এটা আর এম ও (RMO) কোড।
• সিটি কর্পোরেশনের জন্য – ৯
• ক্যান্টনমেন্ট – ৫
• পৌরসভা – ২
• পল্লী এলাকা - ১
• পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা – ৩
• অন্যান্য – ৪
3. পরবর্তী ২ সংখ্যা – এটা উপজেলা বা থানা কোড
4. পরবর্তী ২ সংখ্যা – এটা ইউনিয়ন (পল্লীর জন্য) বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য)
5. শেষ ৬ সংখ্যা – আই ডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা সেই ফর্ম নম্বর।
বর্তমানে আবার ১৭ ডিজিট ওয়ালা আইডি কার্ড দেয়া হচ্ছে যার প্রথম ৪ ডিজিট হচ্ছে জন্মসাল!

নিজে জানুন এবং শেয়ার করে সব্বাইকে জানান!

Continue Reading »

Bid